ঘরহীন পরিবার দশ হাজার মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছে

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘরহীন ১০ হাজার মানুষের আবাস তৈরির জন্য ক্লাইমেট ভিকটিমস রিহ্যাবিলিটেশন বা গুচ্ছ গ্রাম-২য় পর্যায় নামে প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় গুচ্ছ গ্রাম-২য় পর্যায়সহ মোট সাতটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

গুচ্ছ গ্রাম-২য় পর্যায় প্রকল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ২৫৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে গুচ্ছগ্রাম-২য় পর্যায় নামে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আবাসস্থল পাবে ১০ হাজার অসহায় পরিবার। ভূমি মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করবে।

মন্ত্রী জানান, গুচ্ছ গ্রাম-১ নামে একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। ওই প্রকল্পের আওতায় ৮৩ হাজার ১৫২টি পরিবারের বাসস্থানের বব্যস্থা করা হয়েছে।

একনেকের সভায় অনুমোদন দেওয়া অন্য প্রকল্পগুলো হলো- ঢাকার বেইলি রোডে মন্ত্রীদের আবাসিক ভবন নির্মাণ; মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১ হাজার ৬৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ; এস্টাবলিসমেন্ট অব নাইনটি নাইন কমপোজিট ব্রিজ ফর সেফটি অ্যান্ড সিক্রুরিটি অব পদ্মা মাল্টিপারপাস প্রকল্প; মাতারবাড়ি কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সংযোগ সড়ক নির্মাণ; খুলনা রূপসা শ্রীফলতলা-তেরখাদা সড়ক (জেড ৭৪১) উন্নয়ন প্রকল্প এবং চট্টগ্রামের নাজিরহাটের মাইজভাণ্ডার সড়ক (জেড-১৬২০) উন্নয়ন প্রকল্প।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ঢাকার বেইলি রোডে মন্ত্রীদের আবাসিক ভবন (১৫তলা) নির্মাণ প্রকল্পের বাস্তবায়নে ১১৩ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে। তবে প্রথমে দফায় ৬ তলা ভবন নির্মান করা হবে। তাই ব্যয় কিছুটা কমে যেতে পারে। মিরপুরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ১ হাজার ৬৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৫২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

তিনি জানান, এস্টাবলিসমেন্ট অব নাইনটি নাইন কমপোজিট ব্রিজ ফর সেফটি অ্যান্ড সিক্রুরিটি অব পদ্মা মাল্টিপারপাস প্রকল্পের জন্য ব্যয় হবে ৯৫০ কোটি টাকা। মাতারবাড়ি কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৬০২ কোটি ৩২ লাখ টাকা। খুলনা রূপসা শ্রীফলতলা-তেরখাদা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় ধরা হযেছে ৪৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং নাজিরহাটের মাইজভাণ্ডার সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

শেয়ার করুন