পল্লবীতে আরিফুল ২০ কাঠা জমি কিনে পড়েছেন বিপাকে

মুক্তমন রিপোর্ট, ঢাকা : রাজধানীর পল্লবীতে ভূমিদস্যুরা আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুরা সাধারণ লোকজনের জমি ও বাড়ির জাল দলিলের মাধ্যমে দখলবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। ভূমিদস্যুদের দখলবাজিতে কেউ বাধা দিলে তাকে মারধর ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়া জমির প্রকৃত মালিককে হত্যার হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়। এতে করে মিরপুর জোনের সাধারণ লোকজন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদেও কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এমনই ঘটনা ঘটেছে মো. আরিফুল ইসলামের সাথে। তিনি ২০ কাঠা জমি ক্রয় করে পড়েছেন বিপাকে। ভূমিদস্যুরা জাল দলিল তৈরি করে প্রায় ১০ কাঠা জমি দখল করে নিয়েছে।
সূত্র জানায়, রাজধানীর পল্লবী থানা এলাকায় ভূমিদস্যুরা জাল দলিল তৈরি করে সাধারণ লোকজনের জমি ও বাড়ি দখল করে নিচ্ছে। জালিয়াত চক্রে সদস্য ও ভূমিদস্যু কাজী হারুন অর রশিদ ও কাজী জহিরুল ইসলামের অত্যাচারে পল্লবী থানা এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। কাজী জহিরুল ইসলাম ও হারুন অর রশিদ এবং তাদের লোকজন জালজালয়াতির মাধ্যমে মো. আরিফুল ইসলামের ২০ কাঠা জমির পুরোটাই দখল করে নেয়ার চেষ্টা করছে।
অভিযোগে জানা গেছে, পল্লবী থানার ৫নং পলাশ নগরের স্থায়ী বাসিন্দা মরহুম অহিদ মোল্লার মেয়ে নূরুন নাহার পৈতৃক সম্পত্তি ২০ কাঠা জমি বিক্রি করেন কাফরুল থানার ৬ নং পশ্চিম বাইশটেকীর স্থায়ী বাসিন্দা হচ্ছেন মো. আরিফুল ইসলামের কাছে। জমির প্রকৃত মালিক নূরুন নাহার গত ৯ ফেব্রæয়ারী ২০১৭ ইং তারিখে দলিল করে দেন আরিফুল ইসলামকে। দলিল নম্বর হচ্ছে ৯৭৮। নূরুন নাহার জমি বুঝিয়ে দেন আরিফুল ইসলামকে। এর মধ্যে মোসাম্মদ রাবেয়া খাতুন নামে এক মহিলা উক্ত জমির দলিল করে দেন কাজী হারুন অর রশিদকে। অথচ রাবেয়া খাতুন নামে কাউকে চিনেন না জমির প্রকৃত মালিক নূরুন নাহার। রাবেয়া খাতুন নামে যে মহিলা জমি দলিল করে দিয়ে তা জাল দলিল হিসাবে দাবি করেছেন নূরুন নাহার। জাল দলিলের মাধ্যমে ভূমিদস্যু হারুন অর রশিদ ও কাজী জহিরুল ইসলাম ২০ কাঠা জমির মধ্যে প্রায় ১০ কাঠা দখল করে নিয়েছে। বর্তমানে জমির মালিক মো. আরিফুল ইসলামকে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। বাকি জমি দখল করে নেয়ার জন্য পাঁয়তারা করছে স্থানীয় সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুরা। এছাড়াও ভূমিদস্যু কাজী জহিরুল ইসলাম ও হারুন অর রশিদ মিথ্যা মামলা দিয়ে ওই জমি দখল করে নিবে বলেও হুমকি প্রদান করছে। বর্তমানে জমির মালিক আরিফুল ইসলাম জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী আরিফুল ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, পুলিশ কমিশনার, ডিসি ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।