প্রতিভার খোঁজে ১২ জেলায় আরচারি ফেডারেশন

ডেস্ক : লক্ষ্য ২০২০ টোকিও অলিম্পিক গেমসে স্বর্ণ। বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশনের লক্ষ্যটা অবশ্যই উচ্চাভিলাষি। মাত্র দুই বছর দূরে চোখ রেখে অলিম্পিকে স্বর্ণ তো দূরের কথা, ব্রোঞ্জ জেতাও কঠিন। ফেডারেশন কর্মকর্তারাও সেটা জানেন। তারপরও তারা একটা লক্ষ্য স্থির করেছেন। ২০২০ সালে না হোক, পরের যে কোনো অলিম্পিকেও তো আসতে পারে পদক। মুখের লক্ষ্য টোকিও হলেও মনের লক্ষ্যটা তো আরো দূরে ফেডারেশনের।

বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশনের এ লক্ষ্যের সঙ্গে যোগ হয়েছে সিটি গ্রুপ। তাদের উৎপাদিত পণ্য ‘তীর’ গত বছর অক্টোবরে ৫ বছরের জন্য আরচারির ‘গো ফর গোল্ড’ প্রজেক্টের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। কেবল টুর্নামেন্ট আয়োজনেই নয়, সে চুক্তির অধীনে সবচেয়ে বড় যে কাজটি রয়েছে, তা হলো সারাদেশ থেকে প্রতিভাবান আরচার খুঁজে বের করা। সোমবার থেকেই সে কাজে নেমে পড়ছে ফেডারেশন। প্রথম ধাপে ফেডারেশন বেছে নিয়েছে ১২ জেলা। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলাকেই এই প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির আওতায় আনবে ফেডারেশন।

শনিবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেছেন, ‘প্রতি জেলায় ২ বাছাই ও বাছাই কৃতদের নিয়ে ৮ দিনের প্রশিক্ষণ হবে। প্রাথমিক বাছাইয়ের জন্য নেয়া হবে ৫০ জন, পরে সেখান থেকে সংখ্যা কমিয়ে করা হবে ২০। তাদের জেলা পর্যায়েই ৮ দিন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।’

প্রতি জেলা থেকে চূড়ান্তভাবে ২ জন করে আরচার নেয়া হবে। ১২ জেলার ২৪ আরচার নিয়ে ২২ মে আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শুরু হবে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে। সেখানে ৩ ধাপে ৬০ দিন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে তাদেরকে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিটি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সোয়েব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান অলিম্পিকে স্বর্ণ জয়ের লক্ষ্য প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আসলে লক্ষ্যটা বড় থাকলে ভালো লাগে। আমরা যদি বলতাম, অলিম্পিক ব্রোঞ্জ জিততে চাই, সেটা কী শুনতে ভালো লাগতো? তাই আমরা লক্ষ্যটা বড় রেখেছি। এই প্রতিভা অন্বেষণই আমাদের প্রধান কর্মসূচি। আগামীতে আরো জেলা আসবে এ কর্মসূচির আওতায়।’

প্রথম ধাপে যে ১২ জেলায় প্রতিভা অন্বেষণ

ফরিদপুর, চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, রাজশাহী, নড়াইল, বান্দরবান, বাগেরহাট, চট্টগ্রাম, গোপালগঞ্জ ও ঢাকা।