মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় সমবায় সমিতি

প্রকাশিত

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ অনুযায়ী সকল সমবায় সমিতিকে রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে উক্ত আইনের আওতায় মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধে সমবায় সমিতির জন্য নির্দেশনাবলী জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে এ সম্পর্কিত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশে কার্যরত সকল সমবায় সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও সম্পাদক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এখন থেকে সমবায় সমিতি বলতে সমবায় সমিতি আইন ২০০১ এর আওতায় অনুমোদিত বা নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান বুঝাবে। এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনের আওতায় জারীকৃত নির্দেশনা সব সমবায় সমিতি যথাযথভাবে অনুসরণ করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারিকৃত নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- জাতীয় পর্যায়ের প্রতিটি সমবায় সমিতি নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি থেকে মনোনীত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রধান কার্যালয়ে একটি ‘কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট’ প্রতিষ্ঠা করবে। এটি সরাসরি সমিতির নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান কর্তৃক তত্ত্বাবধান করতে হবে। উক্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা নামে অভিহিত হবেন।

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থ যোগান প্রতিরোধ বিষয়ক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রতিটি সমবায় সমিতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য একজন ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের কর্মকর্তাকে মনোনয়ন দেবে।

সব সমবায় সমিতির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সমবায় সমিতির মনোনীত কর্মকর্তার নাম, পদবী, যোগাযোগের ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর, ফ্যাক্স ও ই-মেইল বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বরাবর সরবরাহ করবে। এবং উক্ত তথ্যের কোনরূপ পরিবর্তন হলে তা সাথে সাথে ইউনিটকে জানাবে।

সর্বশেষে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সমবায় সমিতির লেনদেন পরিবীক্ষণ, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে। এজন্য সমিতিগুলো নিজস্ব কৌশল ও কর্মসূচী নির্ধারণ করবে এবং সময় সময় তা পর্যালোচনা করবে।

শেয়ার করুন