সৌদির ক্ষমা চাওয়া উচিত: খামেনি

প্রকাশিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হজের সময় মিনায় পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনায় সৌদি আরবকে ক্ষমা চাইতে বললেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়তুল্লাহ আলি খামেনি।

জাতিসংঘে দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ঘটনা তদন্ত দাবির করার পর তিনি এ ঘটনায় সৌদিকে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করলেন।

রোববার বিবিসির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনায় সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতীকী শয়তানকে পাথর মারার সময় পদদলিত হয়ে নিহত ৭৬৯ হাজির মধ্য ১৪০ জনের বেশি ইরানীয়।

আজ রোববার সৌদির প্রশাসন ৬৫০ হাজির ছবি প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি আছেন বলে জানা গেছে।

হজভূমিতে দীর্ঘ ২৫ বছরে এটিই সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা।

খামেনি বলেন, এই ঘটনাটি ভুলে যাওয়া যাবে না এবং গুরুত্ব দিয়ে এ ব্যাপারে লেগে থাকা উচিত। সৌদিদের এ বিষয়ে দায়দায়িত্ব স্বীকার করে মুসলিমদের ও হতাহতদের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

ইরানের রাস্তায় বিক্ষুব্দ জনতা- ছবি বিবিসির

তিনি বলেন, মুসলিম বিশ্বের অনেক প্রশ্ন আছে। এক হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু কোনো ছোট ঘটনা না। ঘটনাটির বিষয়ে মুসলিম দেশগুলোর নজর দেওয়া উচিত।

অন্যান্য ইরানি কর্মকর্তারাও মিনার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এক হাজারেরও বেশি বলে দাবি করেছেন।

শনিবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া এক ভাষণে ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে এ ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন।

নতুন কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই শনিবার শেষ হলো হজ।

তবে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উপস্থিত থাকা সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবায়ের জানান, হতাহতের এ ঘটনা- এমন কোনো পরিস্থিতি নয় যে, রাজনৈতিক খেলায় মেতে উঠতে হবে।

তিনি বলেন, আমি আশা করবো, ইরানিয়ান নেতাদের আরও বেশি সেনসিবল হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে হতাহতের ঘটনা নিয়ে আরও বেশি ভাবা উচিত। তদন্তের ফলাফল কী আসে তার জন্যও অপেক্ষা করা উচিত।

এর আগে গতকাল গ্রান্ড মুফতি শেখ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ আল শেখ জানিয়েছিলেন, হতাহতের ঘটনা ছিল নিয়তি; মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

শেয়ার করুন