পপুলার-মেডিনোভা-মর্ডান-ন্যাশনালকে ২২ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে পুরান ঢাকার মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালকে ২২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাব-২ এর উপ-পরিচালক মো. মাহবুব আলম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ড্রাগ সুপার মো.রাজিউর রহমানের উপস্থিতিতে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সরওয়ার আলম জানান, মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেসে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক টেস্টের জন্য মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে দেখা যায়। রোগ নির্ণয়ের রিপোর্ট কার্ড হিসাবে ব্যবহৃত বইয়ে ১৫টি পাতা ব্ল্যাংক স্বাক্ষর করা অবস্থায় পাওয়া যায়। বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নামে ভুয়া সিলও জব্দ করা হয়। এ সব অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার নাসির ওয়াকার (৪১), ল্যাব ইনচার্জ উজ্জ্বল মিয়া (৩২), ম্যানেজার (অ্যাডমিন) সাইফুল ইসলাম (৪০) ও কেয়ারটেকার আবু ইয়াহিয়াকে (৪৩) ৮ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

তিনি আরও জানান, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজারসহ তিনজনকে ছয় লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও একই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির তিনজনকে চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

সরওয়ার আলম আরও জানান, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট হাসপাতালেও ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট, নোংরা পরিবেশে ল্যাব পরিচালনা করা এবং অনুমোদন বিহীন ব্লাড ব্যাংক পরিচালনার অভিযোগে হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জসহ দুইজনকে চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে ল্যাবের মান উন্নত ও ব্লাড ব্যাংকের অনুমোদন নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।