কোটার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক : কোটা সংস্কারের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নিদের্শ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকটি হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

শফিউল আলম বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিয়ে আসার জন্য সংবিধানে কোটার বিষয়ে বলা আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি কোটার বিষয়ে গণমাধ্যমে সরকারের সংশিষ্টদের ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোটা নিয়ে আসলে তো কোনো সমস্যা নেই। এখন যে কোটাব্যবস্থা এক্সিসটিং (বহাল) রয়েছে সেখানে মেধা কোটা ৪৫ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কোটা ৫ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবন্ধী কোটা ১ শতাংশ।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যান্য কোটাগুলো যদি পূরণ করা সম্ভব না হয় তবে তা মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে হবে। সেটা পূরণ করা হয়েছে।

এদিকে সরকারি চাকরিতে কোট সংস্কারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তাল সারাদেশ। সোমবার সকাল থেকে সারাদেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে এসেছে। এদিকে, বিকাল গড়িয়ে রাত এবং রাত পেরিয়ে সকাল হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
এর আগে, একই দাবিতে রবিবার গণপদযাত্রা শেষে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিকাল থেকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী। তাদের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সারাদেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাজপথে নেমে আসেন।