আরাকান আর্মি’র রণে ভঙ্গ

ডেস্ক প্রতিবেদন : অবশেষে রণে ভঙ্গ দিয়ে পিছু হটেছে  মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে অবশেষে পিছু হটে তারা।

বুধবার বিকেল চারটায় শুরু করা এই অভিযান চলে দুই ঘণ্টা ব্যাপী। বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মহসিন রেজা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমানবাহিনীর এফ-৭ নামের একটি বিমান বান্দরবানের থানচি এলাকার উপর দিয়ে টহল দেয়। এসময় নিচে থাকা সেনাবাহিনী ও অতিরিক্তি বিজিবি সদস্য আরাকান আর্মির উপর আক্রমণ করে। আক্রমণের মাত্রা বাড়ানো হলে তারা ওই এলাকা ত্যাগ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে এঘটনায় গুলিবিদ্ধ নায়েক জাকিরের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয় তিনি এখন আশঙ্কামুক্ত, সুস্থ্য হতে কিছুদিন সময় লাগবে।

এর আগে যৌথভাবে অফেনসিভ অপারেশন চলছে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানান বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, আরাকান আর্মি একটি চরমপন্থি সংগঠন। তাদের কোন ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে বিজিবি ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে অফেনসিভ (আক্রমণাত্মক) অপারেশন চালাচ্ছে।

র্ডার গার্ড বাংলাদেশের  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বান্দরবানের থানচির সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি একথা বলেন।

সেনাবাহিনী ও বিজিবির যৌথ অভিযান প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে (বিজিবি) ২৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. ক. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সবার নিরাপত্তা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

গোলাগুলির ঘটনার পর থানচি ও আশপাশের এলাকায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা জড়ো হয়েছেন। পাশাপাশি বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দুটি হেলিকপ্টারে পুরো এলাকা টহল দেয়া হচ্ছে।

বিজিবির অধিনায়ক জানান, অভিযানের মাধ্যমে থানচির অরক্ষিত এলাকাগুলোতে বিজিবি মোতায়েন করা হচ্ছে। এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। আরাকান আর্মি ফায়ার বন্ধ করে দিয়েছে। পরিস্থিতি বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সকালের গোলাগুলির সময় আমাদের একটি পেট্রোল টিম ক্যাম্পের বাইরে টহল দিচ্ছিল। তবে তারা সবাই নিরাপদে ক্যাম্পে ফিরতে সক্ষম হয়েছে।