আর্সেনাল-লিভারপুল গোলশূন্য ড্র

ক্রীড়া ডেস্ক : আর্সেনাল এবং লিভারপুলের মধ্যকার হাইভোল্টেজ ম্যাচটি ড্র হয়েছে। ক্রসবারে বল লেগে ফিরে আসার পাশাপাশি গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় এদিন বল জালে জড়াতে পারেনি কেউ। আক্রমণ প্রতি আক্রমণের এই ম্যাচে ক্রসবার এবং গোলরক্ষকের সঙ্গে আলোচিত ছিল অফসাইডও।

সোমবার আর্সেনালের মাঠ এমিরেটসে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে। ম্যাচের ৩ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো সফরকারীরা। ক্রিস্টিয়ান বেনটেকের কাছ থেকে বল পেয়ে লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান তারকা ফিলিপ কৌতিনহোর শট বারে লেগে ফিরে আসে। দুই মিনিট পর আর্সেনালকে এগিয়ে নেয়ার সুযোগ পান আলেক্সিস সানচেজ। নাচো মনরিয়ালের ক্রস থেকে পাওয়া বল হেড করলে তা বারের উপর দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচের ৮ মিনিটে কাজোরলার কাচ থেকে বল পেয়ে কোণাকুণি শটে লিভারপুলের জালে বল জড়ান অ্যারন রামসি। কিন্তু লাইন্সম্যান পতাকা তুললে দুর্ভাগ্যজনকভাবে অফসাইডের কারণে গোল বাদ হয়ে যায়। টিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছিল অনসাইডেই ছিলেন অ্যারন রামসি।

২৩ মিনিটে গোলরক্ষক পিটার চেকের দৃঢ়তায় রক্ষা পায় আর্সেনাল। জেমস মিলনারের শট ঝাঁপিয়ে পরে রক্ষা করেন এই চেক। বিরতির এক মিনিট আগে আবারো ক্রসবার প্রতিপক্ষ হয় লিভারপুলের। ফিলিপ কৌতিনহোর বাঁকানো শট গোলরক্ষক চেকের হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত থাকতে হয় অলরেডসদের।

বিরতির পর তেমন গোছালো ফুটবল খেলতে পারেনি লিভারপুল। এই সুযোগে আক্রমণের ধার বাড়ায় আর্সেনাল। ৬০ মিনিটে লিভারপুলের মত একই হতাশায় পুড়তে হয় গার্নারদের। সানচেজের দুর্দান্ত শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৬৯ মিনিটে ম্যাচের সেরা সুযোগ পায় আর্সেনাল। অ্যারন রামসির বাড়ানো বলে ছোট ডিবক্সের সামনে ফাঁকায় বল পান অভিভার জিরুড। কিন্তু লিভারপুল গোলরক্ষক সাইমন ম্যাগনোলেটের দুর্দান্ত সেভে রক্ষা পায় লিভারপুল।

৭২ মিনিটে অ্যারন রামসির শট আবারো ঝাঁপিয়ে পরে রক্ষা করেন লিভারপুল গোলরক্ষক সাইমন ম্যাগনোলেট। ৮১ মিনিটে কৌতিনহোর শট দৃঢ়তার সাথে ফিরিয়ে দেন পিটার চেক। ৮৩ মিনিটে অ্যারন রামসির শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে দিক বদলে বারের দিকে গেলে গোলরক্ষক সাইমন ম্যাগনোলেট ঝাঁপিয়ে পারে তা রক্ষা করেন। এরপর আর তেমন কোন জোরালো আক্রমণ না হলে গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছারতে হয় দুই দলকে।

এই ড্রয়ে তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে ব্রেন্ডন রজার্সের দল। অন্যদিকে, সমান তিন ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে আছে আর্সেন ওয়েনঙ্গারের দল।