আজ শনিবার, জুলাই ২৪, ২০২১ | ৮ শ্রাবণ, ১৪২৮

শিরোনাম

জন্মদিনের শুভেচ্ছা

বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে কবরী

প্রকাশিত: সোমবার, জুলাই ১৯, ২০২১


বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে কবরী

ফিরোজ আলম :  আমাদের চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে কবরী। বাংলা চলচ্চিত্রের একজন জীবন্ত তারকা নায়িকা । চলচ্চিতে অভিনয়ের অর্ধ শতাব্দী পেরিয়ে গেছেন ২০১৪ সালে ।শুধু মাত্র নায়িকা নন, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও রাজনীতিবিদ হিসাবেও পরিচিত, সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধেও জড়িয়েছিলেন।

 কবরীর আসল নাম মিনা পাল। পিতা শ্রীকৃষ্ণ দাস পাল এবং মা শ্রীমতি লাবণ্য প্রভা পাল। জন্ম: ১৯ জুলাই ১৯৫০ সালে চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলাতে । পরে মিনা পাল মুসলমান হয়ে নাম রাখেন  কবরী সরোয়ার পরে  সারাহ বেগম কবরী । জন্মস্থান বোয়ালখালী হলেও শৈশব ও কৈশোর বেড়ে ওঠা চট্টগ্রাম নগরীতে।।

১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব কবরীর।তিনি ষাট ও সত্তরের দশকের বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের নায়িকা ছিলেন। রাজনীতিবিদ হিসাবে আত্মপ্রকাশ। মানুষকে সেবা করার জন্য গণমানুষের নেত্রী হিসাবে  ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের টিকেটে নারায়নগঞ্জের এক আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ।গত ১৭ এপ্রিল সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

চলচিত্রে আবির্ভাব সুভাষ দত্তের সাথে জুটি বেধেঁ ১৯৬৪ সালে ‘সুতরাং' ছবিতে । সুতারাং ছবির পরিচালক ছিলেন সুভাষদত্ত। সে শুরু এরপর অভিনয় করেছেন হীরামন, ময়নামতি, চোরাবালি, পারুলের সংসার, বিনিময়, আগন্তুক সহ জহির রায়হানের তৈরি উর্দু ছবি ‘বাহানা' এবং ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ‘তিতাস একটি নদীর নাম'ছবিতে। 

আত্মজীবনী ‘স্মৃতিটুকু থাক’ গ্রন্থে কবরী  প্রথম চলচ্চিত্র সুতরাং ছবিতে  অভিনয় প্রসঙ্গে  লিখেছেন- ‘তখন সিনেমা বলতে বুঝতাম সাংঘাতিক একটা ব্যাপার। স্কুলে পড়া, টুকটাক নাচ ছাড়া আর কিছুই বুঝতাম না। সিনেমা করতে এসে আমার প্রথম দিনের অভিজ্ঞতাটা বলি একটু দাঁড়াও তো।’ চমকে উঠলাম। ‘পেছনে ঘোরো, আবার সামনে, হেঁটে দেখাও, চুল দেখি দাঁত দেখি।’ ছোটখাটো মানুষ দত্তদা বলেই যাচ্ছেন। 

আরে, এ তো দেখি কনে দেখার মতো! আমার দিদির বিয়ের সময় এমন হয়েছিল, আমার মনে আছে। বেয়াদপ! ‘কথা তো নিশ্চয় বলতে পারো?’ বিরক্ত হয়ে মাথা নেড়ে হ্যাঁ সূচক ইশারা করি। ‘মাথা নাড়লে চলবে না, শব্দ করে পরিস্কার করে বলো, তোমার নাম কী?’

আমি চুপ। আবার বললেন, ‘নাম কী?’ ‘মিনা।’ পুরো নাম বলো।’ ‘মিনা পাল।’ ‘সংলাপ বলো, ‘অ্যাই ছাড়ো, কেউ দেখে ফেলবে।’ দেখি তুমি অভিনয় করতে পারবে কি না।’
এভাবেই আমার ‘সুতরাং’ ছবির জন্য ইন্টারভিউ শুরু। আমি সাহস পাচ্ছি না। বুকের ভেতর যেন কেউ হাতুড়ি পেটাচ্ছে। মনে মনে বাবাকে অভিশাপ দিচ্ছিÑ এতো লম্বা একটা কথা কী করে বলব! আর এই লোকটা তো আচ্ছা পাজি! নিষ্ঠুর। 

আরে মেয়ে, চুপ করে আছ কেন?’ তারপর কী ভেবে একটু মোলায়েম করে বললেন, ‘বলো, প্লিজ, বলো।’ এবার একটু স্বস্তি পেলাম। আস্তে আস্তে সংলাপ বললাম। সংলাপ শুনে বলে উঠলেন, ‘এ তো দেখি চাঁটগাইয়া গলার সুর। উঁহু, চলবে না। কথা ঠিক করে বলতে হবে।’

আরতপর ‘কে ফটোগ্রাফারস’-এর খালেক সাহেব আসলেন, সত্য দা, আরো কত লোকজন। আমি ভয়ে বিস্ময়ে তাকাচ্ছি, কিচ্ছুই বুঝতে পারছি না। খালেক ভাই ফটাফট অনেক ছবি তুললেন। ডাকরুম থেকে ছবি ওয়াশ করে পাঠিয়ে দিলেন। শাড়ি, বøাউজ, কাচের চুড়ি আরো কত কি জোগাড় হচ্ছে। দেখলাম, বাবার খুশি খুশি চেহারা। মনে হচ্ছে আমাকে তাদের পছন্দ হয়েচে। দত্তদা বললেন, ‘কৃষ্ণবাবু, কাল দুপুর ৩টায় আর কে মিশন রোডে আমাদের অফিসে মিনাকে নিয়ে চলে আসবেন। রিহার্সেল হবে।’
আমি তাহলে পাস।

পরদিন প্রডিউসারের অফিসে গেলাম। এক হাজার এগারো টাকা দিয়ে আমি সাইন করলাম। জীবনের প্রথম রোজগার। শুরু হয়ে গেল নতুন জীবনের গল্প।
আলো ঝলমল ঢাকা শহর, মিনার চোখে স্বপ্ন। ‘সুতরাং’ দিয়ে বাংলার মানুষের মনে এক চিলতে ঠাঁই করে নেওয়ার জন্য অনেক পরিশ্রম, অনেক সংগ্রাম। কত নতুন কিছু বুঝতে হবে, জানতে হবে, শিখতে হবে। নিজেকে তৈরি করতে হবে। এক হাজার এগারো টাকা পুঁজি নিয়ে বাংলার সাত কোটি মানুষের হৃদয়ের দখল নেয়া ছিল অনেক কঠিন কাজ। পুলসিরাত পার হতে লেগেছিল অনেক বছর।

চলচ্চিত্রে অভিনয় খুবই কঠিন। মনপ্রাণ ঢেলে দিতে হয়। একদিন শুটিং পরিচালক বললেন, ক্যামেরার লেন্সের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকো। মনে করো তোমার প্রেমিক গভীরভাবে তোমার দিকে তাকিয়ে আছে। তোমার রি-অ্যাকশন দাও। প্রথম প্রথম বুঝতে পারতাম না, নার্ভাস লাগত। ধীরে ধীরে রপ্ত হয়ে যায়। তাকিয়ে আছি তাকিয়ে আছি মিষ্টি হাসির আভা সারা মুখে দ্যুতি ছড়ায়, দাঁত বার না করে হাসি। এমন কঠিন এক্সপ্রেশন, কিন্তু অপূর্ব।

সুতরাং ছবি রিলিজের পর চারদিকে হৈচৈ পড়ে যায় নতুন নায়িকা নতুন নায়ক নতুন পরিচালক সবাই দারুণ কাজ করেছে এক্কবারে সুপার ডুপার। সাংবাদিক আজিজ মিসির চিত্রালীতে লিখতেন আসলাম, দেখলাম জয় করলাম।

তখনকার ছবি বানানো হতো সাত কোটি দর্শকের জন্যই। পরিবার কেন্দ্রীক গল্পে, মৌলিক সাহিত্য থেকে নেওয়া গল্পে অথবা ফোক কাহিনী নিয়ে সব শ্রেণীর মানুষের জন্য বিনোদন। রূপবান দিয়ে শুরু তারপর আবার বনবাসে রূপবান, পারুলের সংসার, সাত ভাই চম্পা, অরুণ বরুণ কিরণমালা এই ছবিগুলোর মধ্যে আমিও খুব মজা করে কাজ করেছি।

অরুণ বরুণ কিরণমালা ছবিতে সাপের সাথে অনেক কাজ ছিল। একবার সাপ ধরে গান হাইতে হবে। এই বড় ফনা তোলা সাপ। আতা ভাই পরিচালক। ঐ সাপ দেখে কি গান গাইব। হাসি হাসি চেহারায় গাইতে হবে। হাসির বদলে ভয়ে দুই চোখ বেয়ে পানি গড়াতে লাগল। সাপুড়ে অনেক অভয় দিল। ক্যামেরা, অ্যাকশন। সাপের গলা ভালো করে চেপে ধরলাম ব্যাটা যেন আমাকে কামড়াতে না পারে। সাধ্যমতো দৃশ্য্যটা করে দু’লাইন গান গেয়েই ফেললাম।

ব্যাস। যেই না কাট বলল এক ঝটকায় সাপটাকে ছুঁড়ে ফেলে দিলাম। সাপুড়ে দৌঁড়ে এসে তার প্রিয় সাপটাকে তুলতে গেল। হায় হায় হায় সাপের দম নেই। আমার মুঠোর চাপের চোটে মরেই গেছে। সুপার হিট সাত ভাই চম্পা ছবিতে আমার ঠোটে দারুণ একটি গান আছে শোনেন শোনেন জাঁহাপনা শোনেন রানি ছয় জনা শোনেন বলি নতুন করে পুরান ঘটনা।’

গুলিস্তান সিনেমা হলে মুক্তি পায় সাত ভাই চম্পা। গানটি দেখতে বø্যাকে টিকেট কাটে দর্শকরা। পুরো ছবি না দেখেও আমার লিপসে গান দেখতে যেত। আমি গানের সুর, তাল বুঝতে পারতাম। মনেই হতো না অন্য কেউ গাইছে। সুতরাং ছবিটি করতে এসেই সুরকার সত্য সাহার কাছে গানের তালিম নেই। সিনেমায় আসার আগ অবধি রুনুদার কাছে নাচ শিখি। পরবর্তীতে সিনেমার জন্য নৃত্য শুরু পাই জি এ মান্নানকে। দত্তদার কাছে অভিনয় সংলাপ উচ্চারণ শিখেছি’

পরবর্তীকালে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে মূল নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন। ১৯৬০-এর দশকের শেষের দিক থেকে চিত্রনায়ক রাজ্জাকের সাথে তার জুটি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সে সময়ে চলচ্চিত্রে জুটি প্রথা শুরু হয় ।  রাজ্জাকের সাথে তাঁর জুটির ছবি গুলো আবির্ভাব ,বাঁশরি, যে আগুনে পুড়ি দ্বীপ নেভে নাই, দর্প চূর্ণ,রংবাজ ,গুন্ডা, নীল আকাশের নীচে, ময়নামতি, আগন্তুক,আঁকাবাঁকা, কত যে মিনতি, অধিকার, ,স্মৃতিটুকু থাক ,বেইমান, অবাক পৃথিবী, ‘ক খ গ ঘ ঙ‘, ‘কাঁচ কাটা হীরে‘,,উপহার, আমাদের সন্তান প্রভৃতি।

নায়ক ফারুকের সাথে খান আতার ‘সুজন সখি’ ও আবদুল্লাহ আল মামুনের ‘সারেং বৌ‘ এই জুটির ছবি দ’ুটি এখনো চলচ্চিত্র দর্শকের হৃদয়ে অমলিন হয়ে আছেন।  এছাড়া বুলবুল আহমেদের  সাথে  বধুবিদায় , আরাধনা, দেবদাস , দুই জীবন  ছবি গুলো বেশ আলোচিত। । স্বাধীনতার আগে আজিমের সাথে লোককাহিনিধর্মী ‘সাত ভাই চম্পা‘, ‘অরুণ বরুণ কিরণমালা‘ (১৯৬৮), ও ‘পারুলের সংসার‘ (১৯৬৯); দর্শকের হৃদয়ে আলোড়ন তুলেছিল। 

ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম পাঁচ নায়ক কবরীর  সাথে জুটি বেধেঁ নায়ক হিসাবে তাদের অভিনয় জীবন শুরু করেন এদের মধ্যে অন্যতম সুভাষদত্ত সুতারাং (১৯৬৪) ছবিতে, ফারুক ‘জলছবি’তে(১৯৬৫), উজ্জল ‘বিনিময় (১৯৭০) ছবিতে’ আলমগীর ‘আমার জন্মভূমি’ (১৯৭৩) ছবিতে এবং নায়ক সোহেলরানা ‘মাসুদরানা (১৯৭৪) ’ ছবিতে ।  
 তবে রাজ্জাক কবরীর দর্শক জুটি হিসাবে  গ্রহন করে ্ ফলে এ জুটির কোন ছবি মুক্তি পেলে ছবিগুলো ব্যবসা সফল হতো এবং দর্শকপ্রিয়তা লাভ করতো। এ জুটির ছবি গুলো এখনো দর্শকের কাছে সমান জনপ্রিয়।  

রাজ্জাক-কবরী জুটি নিয়ে কবরী তার স্মৃতিটুকু থাক’ গ্রন্থে  লিখেন, ‘আমাদের মধ্যে কেমিস্ট্রিটা ছিল অনেক ভালো, একজন আরেকজনকে ভালো বুঝতাম। যে কারণে পর্দায় আমাদের দেখে দর্শক পছন্দ করতেন। আমাদের মধ্যে রসায়ন ভালো থাকলেও কাজের বিষয়ে আমাদের এক ধরনের হিংসা কাজ করত। তবে এই হিংসা ছিল পজিটিভ। আমরা একে অপরের সঙ্গে যে হিংসাটা ছিল, সেটি কে কার চেয়ে ভালো কাজ করতে পারে সেই হিংসা। যা দিয়ে আমরা নিজেকে ভালো অভিনয়শিল্পী বানানোর চেষ্টা করেছি।’ 

কবরী যোগ করেন, ‘একসময় আমরা দুজন দাপটের সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করেছি। কিন্তু আমাদের নামে কোনো কেলেঙ্কারি নেই। কোনো ধরনের কেলেঙ্কারি ছাড়াই আমরা সফল জুটি হয়ে কাজ করেছি। এটা হয়েছে কাজের প্রতি ভালোবাসা থেকে। আমি মনে করি, কাজকে সম্মান করা উচিত, তবেই সাফল্য আসা সম্ভব।’ 

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী নায়িকা মিস্টি মেয়ে কবরী ২০১৪ সালে তাঁর চলচ্চিত্র জীবনের ৫০ বছর পার করেছেন।  ৫৫ বছরে পড়েছে তাঁর চলচ্চিত্র জীবন। ১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ‘সারেং বৌ‘ ছবিতে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ২০১৩ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 সাহিত্য-সংগীত ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা জামান আব্বাসী তাঁর সম্পর্কে লিখেন-
মুক্তিযুদ্ধের সময় কবরীর রাজপথে ছুটে আসা অথবা তাসখন্দ শহরের চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর উপস্থিতি, সে এক বিস্ময়। তিতাসপারের কবরীকে খুঁজে বের করেন ঋত্বিক ঘটক। স্বাধীনতার পর সিনেমা জগতে আসে নতুন মাত্রা। আগে আসত শুধু পারিবারিক গল্প।

পরে আসে আধুনিকতার স্পর্শ, যেখানে ভায়োলেন্স, সেক্স। শূন্যস্থানে যিনি রানির মাহাত্ম্য বিস্তার করেছেন/আমগাছের ঝরা মুকুল, কোকিলের কুহুতান, জোছনামত্তা যামিনী, তিনিই কবরী। 

রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়া গেলেন নৌপ্রধান

রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়া গেলেন নৌপ্রধান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে হাড়িভাঙা আম পাঠালেন শেখ হাসিনা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে হাড়িভাঙা আম পাঠালেন শেখ হাসিনা

ভারতের মহারাষ্ট্রে ভূমিধসে নিহত ৩৬

ভারতের মহারাষ্ট্রে ভূমিধসে নিহত ৩৬

পাকিস্তানে করোনা শনাক্ত ১০ লাখ ছাড়াল

পাকিস্তানে করোনা শনাক্ত ১০ লাখ ছাড়াল

হাসপাতালে ভর্তি ৮৫ ডেঙ্গু রোগী

হাসপাতালে ভর্তি ৮৫ ডেঙ্গু রোগী

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ওপর হামলা : ১০ জন গ্রেপ্তার

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ওপর হামলা : ১০ জন গ্রেপ্তার

প্রয়োজন ছাড়া বের হলেই মামলা ও জরিমানা

প্রয়োজন ছাড়া বের হলেই মামলা ও জরিমানা

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা, ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি

পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা, ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি

দু’দিনে বাজার মূলধনে ফিরল ১০ হাজার কোটি টাকা

দু’দিনে বাজার মূলধনে ফিরল ১০ হাজার কোটি টাকা

চামড়া শিল্প রক্ষায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে : ন্যাপ

চামড়া শিল্প রক্ষায় সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে : ন্যাপ

পশ্চিমবঙ্গে পরিশোধিত পানিতে ধোয়া হচ্ছে রেলের কোচ

পশ্চিমবঙ্গে পরিশোধিত পানিতে ধোয়া হচ্ছে রেলের কোচ

ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় যুবক কারাগারে

ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলায় যুবক কারাগারে

ভারতে কমেছে করোনায় মৃত্যু-সংক্রমণ

ভারতে কমেছে করোনায় মৃত্যু-সংক্রমণ

বিদেশ যাত্রীদের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান উড়বে

বিদেশ যাত্রীদের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান উড়বে

জিম্বাবুয়ে থেকেই শুনলেন বাবা হারানোর দুঃসংবাদ

জিম্বাবুয়ে থেকেই শুনলেন বাবা হারানোর দুঃসংবাদ

সিলেটে কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি

সিলেটে কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি

তাইওয়ানে হস্তক্ষেপের শঙ্কায় জাপানকে হুমকি দিল চীন

তাইওয়ানে হস্তক্ষেপের শঙ্কায় জাপানকে হুমকি দিল চীন

জার্মানির জালে ব্রাজিলের ৪ গোল

জার্মানির জালে ব্রাজিলের ৪ গোল

হারে শুরু আর্জেন্টিনার অলিম্পিক

হারে শুরু আর্জেন্টিনার অলিম্পিক

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ জিয়াউল হক
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ ছাদেকুর রহমান
প্রকাশকঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

বার্তা বিভাগ মোবাইল: +88 016 01 22 45 45
বাণিজ্য বিভাগ মোবাইল: +88 017 88 445 222

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৩/২, আউটার সার্কুলার রোড, প্রশান্তি হাইটস, স্যুট # এ-৪ (পঞ্চম তলা), রাজারবাগ, ঢাকা-১২১৭ থেকে প্রকাশিত।

ই-মেইল: muktomonnews24@gmail.com
ই-মেইল: muktomontv@gmail.com


© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | মুক্তমন এসএসএস লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান | About Us | Privacy Policy