সেই ফারিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

প্রকাশিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর গুলশানে দুটি রিকশাকে ধাক্কা মেরে চারজন আহত করার ঘটনায় চালক ফারিজ রহমান ও গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

উল্লেখ্য, ফারিজ রহমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ডা. এইচবিএম ইকবালের ভাতিজা। গত ১২ অক্টোবর গুলশানের ৭৪ নম্বর রোডে বন্ধুর সঙ্গে কার রেসিংয়ের সময় দুটি রিকশায় ধাক্কা দেন।

এতে এক শিশুসহ পাঁচজন আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশুর মৃত্যু হয়, যেটি পরের দিন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় খবর আসে।

পত্রিকার খবরে জনস্বার্থে আইনজীবী অনিক আর রহমান রিট আবেদন করেন। তারই প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট আজ এই আদেশ দিলো।

আদালত পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ও গুলশান থানার ওসি ছয়জনকে এ আদেশ বাস্তবায়নে আদেশ দিয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।

পরে আইনজীবী অনিক সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনার পর পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে তিনি রিট আবেদনটি করেছেন।

তিনি বলেন, গত ১২ অক্টোবর গুলশানে কার রেসিংয়ের সময় দুর্ঘটনা ঘটে। পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। কিন্তু ঘটনার আটদিন পরেও পুলিশ মামলা করেনি।

মোটর যান আইন অনুসারে ২১ দিনের মধ্যে মামলা না করলে আর কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। তাই জনস্বার্থে সুপ্রিমকোর্টের ছয়জন আইনজীবী রিট করেন।

রিটের বাদীরা হচ্ছেন-সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক, কে এইচ বাহার রুমী, মাহফুজ বিন ইউসুফ, শামীম আরা, নাজমুল খন্দকার নাজমুল আহসান ও এসএম আসলাম।

অনীক আর হক বলেন, পুলিশ যথাযথ আইনি ব্যবস্থা না নিলে বিষযটি আবারো আদালতের নজরে আনা হবে।

তিনি বলেন, পত্রিকার প্রতিবেদনে দেখেছি- গাড়ি চালকের আসনে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এইচবিএম ইকবালের ভাতিজা ফারিজ রহমান (১৬)। তবে পুলিশ গাড়িটিকে আটক করলেও মালিককে আটক করেনি।

শেয়ার করুন