আজ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১ | ১২ আশ্বিন, ১৪২৮

শিরোনাম

ঈদযাত্রায় প্রাণ গেছে ২০৭ জনের

প্রকাশিত: সোমবার, জুলাই ২৬, ২০২১


ঈদযাত্রায় প্রাণ গেছে ২০৭ জনের

মুক্তমন প্রতিবেদন : ঈদুল আজহার আগে-পরে এই দুর্ঘটনায় ১১ দিনে সারা দেশে প্রাণ গেছে ২০৭ জনের। মোট ১৫৮টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩৮৯ জন। ১১ থেকে ২৪ জুলাই সড়ক ও নৌ পথের দুর্ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটেছে।

সড়ক দুর্ঘটনার এই প্রতিবেদনটি তৈরি করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৭টি জাতীয় দৈনিক, ৫টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। সোমবার (২৬ জুলাই) প্রতিবেদনের তথ্য জানায় সংগঠনটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। ৭৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৮৭ জন।

এই সময়ে ৪টি নৌ দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। ২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুইজন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুর্ঘটনা নিহতের মধ্যে রয়েছে- মোটরসাইকেল চালক ও, আরোহী ৮৭ জন, বাসযাত্রী ১২ জন, ট্রাক-পিকআপযাত্রী আটজন, মাইক্রোবাস-প্রইভেটকারযাত্রী ১৩ জন, থ্রি-হুইলারযাত্রী (সিএনজি-ইজিবাইক-অটোরিকশা) ৩১ জন, নসিমন-মাহিন্দ্র-চান্দের গাড়িযাত্রী ১০, বাইসাইকেল আরোহী তিনজন আছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৫৯টি জাতীয় মহাসড়কে, ৬৬টি আঞ্চলিক সড়কে, ১৪টি গ্রামীণ সড়কে এবং ১৯টি শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ করে সংগঠনটি জানায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোর ৬টায় ৯৬ শতাংশ, সকালে ১৮ দশমিক ৩৫ শতাংশ, দুপুরে ২২ দশমিক ১৫ শতাংশ, বিকেলে ২৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১১ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং রাতে ১৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র:

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৮৭ জন (৪২.০২%), বাস যাত্রী ১২ জন (৫.৭৯%), ট্রাক-পিকআপ যাত্রী ৮ জন (৩.৮৬%), মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার যাত্রী ১৩ জন (৬.২৮%), থ্রি-হুইলার যাত্রী (সিএনজি-ইজিবাইক-অটোরিকশা-লেগুনা) ৩১ জন (১৪.৯৭%), নসিমন-মাহিন্দ্র-চান্দেরগাড়ি যাত্রী ১০ জন (৪.৮৩%), বাইসাইকেল আরোহী ৩ জন (১.৪৪%) নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনা সংঘটিত সড়কের ধরন:

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৫৯টি (৩৭.৩৪%) জাতীয় মহাসড়কে, ৬৬টি (৪১.৭৭%) আঞ্চলিক সড়কে, ১৪টি (৮.৮৬%) গ্রামীণ সড়কে এবং ১৯টি (১২.০২%) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন:

দুর্ঘটনাসমূহের ৪৬টি (২৯.১১%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৫৪টি (৩৪.১৭%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৪২টি (২৬.৫৮%) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেয়া এবং ১৬টি (১০.১২%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করার কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহন:

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে- ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ ২৭.১৭ শতাংশ, ট্রাক্টর-ট্রলি-লরি ২.৮৯ শতাংশ, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-এ্যাম্বুলেন্স ৫.৪৩ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ৭.৯৭ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৮.২৬ শতাংশ, থ্রি-হুইলার (সিএনজি-ইজিবাইক-অটোরিকশা-লেগুনা) ১৭.৩৯ শতাংশ, নসিমন-করিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র-চান্দেরগাড়ি ৯.৪২ শতাংশ এবং বাইসাইকেল ১.৪৪ শতাংশ।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা:

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ২৭৬টি। (ট্রাক ৪৬, বাস ২২, কাভার্ডভ্যান ৫, পিকআপ ২৪, ট্রলি ২, লরি ৪, ট্রাক্টর ২, মাইক্রোবাস ৫, প্রাইভেটকার ৮, এ্যাম্বুলেন্স ২, মোটরসাইকেল ৭৮, সিএনজি-ইজিবাইক-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা ৪৮, নসিমন-করিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র-চান্দেরগাড়ি ২৬ এবং বাইসাইকেল ৪টি।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ:

সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহ ঘটেছে ভোরে ৬.৯৬%, সকালে ১৮.৩৫%, দুপুরে ২২.১৫%, বিকালে ২৪.৬৮%, সন্ধ্যায় ১১.৩৯% এবং রাতে ১৬.৪৫%।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান:

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ২০.৮৮%, প্রাণহানি ২৩.১৮%, রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ২৪.০৫%, প্রাণহানি ১৭.৩৯%, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.২৯%, প্রাণহানি ১৪%, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১১.৩৯%, প্রাণহানি ১৩.৫২%, বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৬৯%, প্রাণহানি ৫.৭৯%, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ২.৫৩%, প্রাণহানি ১.৯৩%, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ৮.২২%, প্রাণহানি ১৪.৪৯% এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.৯২%, প্রাণহানি ৯.৬৬% ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ৩৩টি দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮ জন। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে। ৪টি দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জন। একক জেলা হিসেবে রংপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। ৫টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত। সবচেয়ে কম সুনামগঞ্জ জেলায়। ১টি দুর্ঘটনা ঘটলেও কেউ হতাহত হয়নি।

আহত ও নিহতদের পেশাগত পরিচয়:

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে সেনা সদস্য ১ জন, বিজিবি সদস্য ১ জন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যাপক ১ জনসহ দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদরাসার শিক্ষক ৬ জন, স্থানীয় সাংবাদিক ৩ জন, মসজিদের ইমাম ২ জন, এনজিও কর্মকর্তা-কর্মচারী ৪ জন, ঔষধ ও বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বিক্রয় প্রতিনিধি ৭ জন, স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ১৪ জন, পোশাক শ্রমিক ৬ জন, সাইকেল মেকানিক ১ জন, রং মিস্ত্রি ১ জন, কাঠ মিস্ত্রি ১ জন, মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধি ২ জন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ৪ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ জন ছাত্রসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।

দেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণসমূহ:

১. ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন;
২. বেপরোয়া গতি;
৩. চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা;
৪. বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট না থাকা;
৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল;
৬. তরুণ ও যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো;
৭. জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা;
৮. দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা;
৯. বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি;
১০ গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।

সুপারিশসমূহ:

১. দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে;
২. চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট করতে হবে;
৩. বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে;
৪. পরিবহনের মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে;
৫. মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্বরাস্তা (সার্ভিস লেন) তৈরি করতে হবে;
৬. পর্যায়ক্রমে সকল মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে;
৭. গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে;
৮. রেল ও নৌ-পথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে;
৯. টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে;
১০.“সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮” বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ঈদুল আযহার আগে-পরে ১৪ দিনে ১৮৭টি দুর্ঘটনায় ২২৯ জন নিহত হয়েছিল। গড়ে প্রতিদিন নিহত হয়েছিল ১৬.৩৫ জন। এবারের ঈদুল আযহার আগে-পরে ১১ দিনে নিহত হয়েছে ২০৭ জন। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছে ১৮.৮১ জন। এই হিসেবে প্রাণহানি বেড়েছে ১৫.০৪ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষ নিহত হয়েছেন ১৬৯ জন, অর্থাৎ ৮১.৬৪ শতাংশ।

করোনার অতিমারীতে মানুষের যাতায়াত অনেকটা নিয়ন্ত্রিত। তারপরেও দুর্ঘটনার এই হার উদ্বেগজনক। অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে সড়ক পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনার কারণে। এই পরিস্থিতিতে সড়ক পরিবহন আইনের বাধাহীন বাস্তবায়ন অতীব জরুরি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

লুটপাট হচ্ছে মেগা প্রজেক্টে মেগা : ফখরুল

লুটপাট হচ্ছে মেগা প্রজেক্টে মেগা : ফখরুল

মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ স্পিকারের সঙ্গে

মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ স্পিকারের সঙ্গে

বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

বিদেশি পিস্তল ও মাদকসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগকে গণঅভ্যুত্থান মোকাবেলা করতে হবে

আওয়ামী লীগকে গণঅভ্যুত্থান মোকাবেলা করতে হবে

দেশে দুর্নীতি রয়েছে : পরিকল্পনামন্ত্রী

দেশে দুর্নীতি রয়েছে : পরিকল্পনামন্ত্রী

তুরস্ক মার্কিন হুমকিতে ভয় পায় না

তুরস্ক মার্কিন হুমকিতে ভয় পায় না

মেসিকে ছাড়াই ভালো খেলছে বার্সেলোনা

মেসিকে ছাড়াই ভালো খেলছে বার্সেলোনা

নির্বাচনে হেরে গেল মারকেলের দল

নির্বাচনে হেরে গেল মারকেলের দল

মাদকবিরোধী অভিযান রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৫৫ জন

মাদকবিরোধী অভিযান রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৫৫ জন

দক্ষ ও চৌকষ ব্যাংকার গড়ে তোলার লক্ষ্যে ট্রেনিং

দক্ষ ও চৌকষ ব্যাংকার গড়ে তোলার লক্ষ্যে ট্রেনিং

ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় আসামী আটক

ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় আসামী আটক

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন মিলবে

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন মিলবে

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস

পশ্চিম তীরে পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত

পশ্চিম তীরে পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত

তালেবান মন্ত্রীসভাকে সন্ত্রাসী দল আখ্যা ইতালির

তালেবান মন্ত্রীসভাকে সন্ত্রাসী দল আখ্যা ইতালির

ই-কমার্স বিষয়ে সচেতনতা জরুরী ইআরএফ-এ বাণিজ্যমন্ত্রী

ই-কমার্স বিষয়ে সচেতনতা জরুরী

তিতুমীর কলেজ বিএনসিসি`র দায়িত্বে আমিনুল, ফারুকী

তিতুমীর কলেজ বিএনসিসি`র দায়িত্বে আমিনুল, ফারুকী

কানাডার ক্যাথলিক যাজকরা ক্ষমা চাইলেন

কানাডার ক্যাথলিক যাজকরা ক্ষমা চাইলেন

নোয়াখালীতে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত

খেলোয়ারকন্যাদের হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন জয়

খেলোয়ারকন্যাদের হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন জয়

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ জিয়াউল হক মিজান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোহাম্মদ ছাদেকুর রহমান
প্রকাশকঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

বার্তা বিভাগ মোবাইল: +88 016 01 22 45 45
বাণিজ্য বিভাগ মোবাইল: +88 017 88 445 222

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৩/২, আউটার সার্কুলার রোড, প্রশান্তি হাইটস, স্যুট # এ-৪ (পঞ্চম তলা), রাজারবাগ, ঢাকা-১২১৭ থেকে প্রকাশিত।

ই-মেইল: muktomonnews24@gmail.com
ই-মেইল: muktomontv@gmail.com


© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | মুক্তমন এসএসএস লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান | About Us | Privacy Policy