
আরেফিন শুভ একটি প্লট পেয়েছে। সে দরখাস্ত করেছে। সরকারের প্রতিষ্ঠান তাকে সেটা বরাদ্দ করেছে। এটা নিয়ে এতো হাহুতাশের কিছু নাই। সে একজন শিল্পী হিসেবে এটা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে। ওই প্রকল্পে বহু ঘুষখোর লোক আছে যারা প্লট পেয়েছে। বহু দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ আছে যারা প্লট পেয়েছে। তাদের নিয়ে ট্রল করতে দেখি নাই আপনাদের।
ওখানে এরকম দশকাঠা প্লট আছে ছাব্বিশশতর বেশি। ওখানে সাকিব খান মাশরাফি তামিম সবার প্লট আছে। চাষী নজরুলের আছে। সম্ভবত বিপাশা অথবা হায়াত সাহেবের আছে। এফ ডি সি এর অনেকের সেখানে জমি আছে।
মোট প্লট কতো সেটা গুগল করে দেখেন।
শুভ একটাকা নিয়ে ছবি করেছে। এটা একটা ছবি। এই ছবিটা না করলেও সে শিল্পী কোটায় এই প্লটটা পেতে পারতো।
শুভ বহু বছর ধরে অভিনয় করে মডেলিং করে নিজের একটা জায়গা করে নিয়েছে। তার শুরুর দিকের সংগ্রামের প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী আমি।
এটা কি অনুদান?
নাকি এটার জন্য সে রাজউকের নিয়মানুযায়ী মূল্য পরিশোধ করবে?
রাজউকে দরখাস্ত করে মূল্যের বিনিময়ে প্লট বরাদ্দ পেয়ে থাকলে সে কোন অন্যায় করে নাই।
সে পরিশ্রম করে আয় করে। চুরি করে না। ঘুষ খায় না।
এটাকে খবর বানালে – গত বিশবছরে এরকম বিবেচনায় যারা উত্তরা ও পূর্বাচলে প্লট পেয়েছে সবার নাম ছাপেন।
দেখি এদের মধ্যে কারা – শুভর মতো পরিশ্রমের পয়সা থেকে সৎভাবে আয় করে জীবন চালায় বলে ধারণা করা যায়।